August 9, 2026, 9:55 am
এম, রিদুয়ানুল হক, চকরিয়াঃ কক্সবাজারের চকরিয়ায় সৈয়দ আশরাফ স্মৃতি পরিষদ উদ্যোগে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এর ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৩ জানুয়ারী (শুক্রবার) এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
চকরিয়া সৈয়দ আশরাফ স্মৃতি পরিষদের আহবায়ক বাবু রতন কুমার সুশীল’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. রিয়াদ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাফর আলম এমএ।
স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরী, সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল, চকরিয়া পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু, পৌর সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ওয়ালিদ মিল্টন, পৌর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি বশির আাহমদ, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন লিটন, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহিদ, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাউছার উদ্দিন কছির, শ্রমিকলীগ চকরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি জামাল উদ্দিন, চকরিয়া পৌর যুবলীগের সভাপতি হাসাঙ্গীর হোসাইন প্রমূখ।
স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি বলেন- সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারিতে ময়মনসিংহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের পর তিনি লন্ডনে চলে যান। আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি আরো বলেন- মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মতো নেতা দেশে অন্য আরেক জন নেই। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন অন্যতম কান্ডারী ছিলেন। তিনি মরহুম আশরাফের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।